প্রধান প্রসিকিউটর এক বিস্ফোরক তথ্যে জানিয়েছেন যে, গত জুলাই মাসের অভ্যুত্থানের সময় “জয়” ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাঁর এই নির্দেশ দেশের তথ্যপ্রবাহ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক মারাত্মক প্রভাব ফেলেছিল। অভ্যুত্থানের অস্থির সময়ে যখন দেশজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল, তখন এই ধরনের পদক্ষেপ জনমনে আরও আতঙ্ক সৃষ্টি করে। চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য অনুযায়ী, ইন্টারনেট বন্ধের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদ্রোহ দমন করা এবং জনগণের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে আন্দোলন আরও ছড়িয়ে পড়তে না পারে। এই ঘটনা দেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, যেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলছে এবং এর ফলাফল দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Related Posts
মিরপুর রোডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক: ফেটে যাওয়া ভালভ প্রতিস্থাপন
মিরপুর রোডে গ্যাস পাইপলাইনের ফেটে যাওয়া ভালভটি সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ দ্রুততার সাথে কাজ করে নতুন একটি…
নতুন বছরের আনন্দময় শুভেচ্ছা
নতুন বছরের আগমনী বার্তা নিয়ে যখন সময় তার নতুন পৃষ্ঠা উল্টায়, তখন মন ভরে ওঠে এক অনাবিল আনন্দ আর অফুরন্ত…
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে নিহত নিরাপত্তা কর্মীদের শেষকৃত্য প্রচার
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন সম্প্রতি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজা ও দাফনের মর্মস্পর্শী দৃশ্য সম্প্রচার করেছে।…