হিজরতের পূর্বে মক্কার কঠিন সময়ে, বিশেষত ‘عام الحزن’ বা দুঃখের বছরে, যখন মহানবী (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং আশ্রয়দাতা চাচা আবু তালিবকে হারান, তখন তিনি চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন। তায়েফে দাওয়াত দিতে গিয়েও তিনি প্রত্যাখ্যাত ও অপমানিত হন, যা তাঁর দুঃখকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এমন এক নাজুক মুহূর্তে, যখন জমিনে তাঁর প্রতি অবজ্ঞা ও প্রত্যাখ্যানের পাহাড় জমেছিল, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা তাঁকে এক মহিমান্বিত আকাশভ্রমণ তথা মি’রাজের মাধ্যমে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। এটি ছিল পৃথিবীর বুকে তাঁর প্রতি অস্বীকৃতির বিপরীতে আসমানের পক্ষ থেকে এক অনন্য সাধারণ সংবর্ধনা এবং সম্মাননা। এই অলৌকিক সফরে তিনি সরাসরি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন, বেহেশত ও দোজখ পরিদর্শন করেন এবং উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার পান। মি’রাজ ছিল নবীজির জন্য এক বিশাল সান্ত্বনা, তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার এক শক্তিশালী প্রমাণ এবং তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন করে শক্তি সঞ্চারের এক অপূর্ব সুযোগ। এই ঘটনা তাঁর নবুওয়াতী জীবনকে এক নতুন মাত্রা দেয় এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনার এক চিরন্তন উৎস হয়ে আছে।
Related Posts
গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশাধিকার ও খনিজ সম্পদ: ট্রাম্পের হুমকির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন
ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর তার উষ্মা প্রকাশ এবং সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।…
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে নিহত নিরাপত্তা কর্মীদের শেষকৃত্য প্রচার
ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন সম্প্রতি দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজা ও দাফনের মর্মস্পর্শী দৃশ্য সম্প্রচার করেছে।…
বাবা ভাঙ্গার ২০২৬ সালের ভবিষ্যদ্বাণী: যুদ্ধ ও ধ্বংসের আশঙ্কা
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে যখন একের পর এক সংকট মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তখন আবারও আলোচনায় এসেছেন কিংবদন্তি ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা। তাঁর…