হিজরতের পূর্বে মক্কার কঠিন সময়ে, বিশেষত ‘عام الحزن’ বা দুঃখের বছরে, যখন মহানবী (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং আশ্রয়দাতা চাচা আবু তালিবকে হারান, তখন তিনি চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন। তায়েফে দাওয়াত দিতে গিয়েও তিনি প্রত্যাখ্যাত ও অপমানিত হন, যা তাঁর দুঃখকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এমন এক নাজুক মুহূর্তে, যখন জমিনে তাঁর প্রতি অবজ্ঞা ও প্রত্যাখ্যানের পাহাড় জমেছিল, ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা তাঁকে এক মহিমান্বিত আকাশভ্রমণ তথা মি’রাজের মাধ্যমে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। এটি ছিল পৃথিবীর বুকে তাঁর প্রতি অস্বীকৃতির বিপরীতে আসমানের পক্ষ থেকে এক অনন্য সাধারণ সংবর্ধনা এবং সম্মাননা। এই অলৌকিক সফরে তিনি সরাসরি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন, বেহেশত ও দোজখ পরিদর্শন করেন এবং উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার পান। মি’রাজ ছিল নবীজির জন্য এক বিশাল সান্ত্বনা, তাঁর নবুওয়াতের সত্যতার এক শক্তিশালী প্রমাণ এবং তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন করে শক্তি সঞ্চারের এক অপূর্ব সুযোগ। এই ঘটনা তাঁর নবুওয়াতী জীবনকে এক নতুন মাত্রা দেয় এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য দিকনির্দেশনার এক চিরন্তন উৎস হয়ে আছে।
Related Posts
কংগ্রেস সভাপতির হুঁশিয়ারি: সংসদ অধিবেশনে জবাবদিহি করতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে শুক্রবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ সংক্রান্ত ছড়িয়ে পড়া রটনা এবং…
নতুন বছরের আনন্দময় শুভেচ্ছা
নতুন বছরের আগমনী বার্তা নিয়ে যখন সময় তার নতুন পৃষ্ঠা উল্টায়, তখন মন ভরে ওঠে এক অনাবিল আনন্দ আর অফুরন্ত…
ফরিদপুরে সেতুতে উদ্ধার বোমা ২৪ ঘণ্টা পর নিষ্ক্রিয়, জনমনে স্বস্তি
ফরিদপুরে একটি সেতু থেকে উদ্ধার হওয়া বোমাটি অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পর নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।…