একটি সাত-আট বছরের শিশু যখন নিষ্পাপ চোখে প্রশ্ন করে, “মা, আল্লাহ কোথায়? আমি কেন তাঁকে দেখতে পাই না?”—তখন অনেক অভিভাবকই হঠাৎ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। এই ধরনের গভীর আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসা শিশুদের মধ্যে খুবই সাধারণ। ছোটবেলা থেকেই তারা তাদের চারপাশের জগৎ, সৃষ্টিকর্তা এবং অদৃশ্য সত্তা সম্পর্কে কৌতূহলী হয়। এমন প্রশ্ন শুনে অনেক মা-বাবাই কী উত্তর দেবেন তা নিয়ে দ্বিধায় ভোগেন। কেউ সহজ করে বোঝানোর চেষ্টা করেন, আবার কেউবা জটিল উত্তর দিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলেন। তবে, শিশুদের এই প্রশ্নগুলোকে কখনোই এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। বরং ধৈর্য ও ভালোবাসার সাথে তাদের কৌতূহল মেটানো প্রতিটি অভিভাবকের দায়িত্ব। সহজ ভাষায়, তাদের বোধগম্যতার স্তরে নেমে এসে, উদাহরণ ও গল্পের মাধ্যমে বোঝানো যেতে পারে। এতে একদিকে যেমন শিশুরা ধর্মের মৌলিক ধারণাগুলো বুঝতে শেখে, তেমনি অন্যদিকে তাদের জিজ্ঞাসু মনটিও সঠিক পথে পরিচালিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি শিশুদের আধ্যাত্মিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং তাদের মনে স্রষ্টা সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে।
Related Posts
ডিজিটাল ওয়ালেট জালিয়াতি: মানিব্যাগে কার্ড সুরক্ষিত থাকলেও ব্যাংক হিসাব শূন্য!
ডিজিটাল ওয়ালেট জালিয়াতি এখন এক নতুন আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনার মানিব্যাগে থাকা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সুরক্ষিত থাকলেও, প্রতারকরা…
ছাত্র সংসদ কক্ষের অব্যবস্থা ও নতুন কার্যালয়ের সংকট
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্র সংসদের জন্য নির্দিষ্ট কক্ষ থাকলেও, সেগুলি প্রায়শই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে অথবা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার…
অজিত ডোভালের প্রযুক্তিবিহীন জীবনযাপন: এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে এক চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে…