বিনিয়োগ ও বৈষম্য: ফাহমিদা খাতুনের সতর্কবার্তা

ফাহমিদা খাতুন সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন যে, দেশে বিনিয়োগের হার কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না বাড়লে সমাজে বৈষম্য আরও বাড়বে এবং এর ফলে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তাঁর মতে, একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল সমাজের জন্য ন্যায়সংগত সুযোগ অত্যন্ত জরুরি। যখন সমাজে সকল স্তরের মানুষের জন্য সমান সুযোগের অভাব ঘটে, তখন একদিকে অর্থনৈতিক বৈষম্য মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়তে থাকে, যা সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধুমাত্র জিডিপি বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়; বরং এই প্রবৃদ্ধির সুফল যাতে সমাজের সকল অংশীদারদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কর্মসংস্থানের সুযোগে সবার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা না গেলে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান আরও প্রকট হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল নতুন কর্মসংস্থানই তৈরি করে না, বরং এটি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও সহায়তা করে। তাই, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক নীতির মাধ্যমে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি স্থিতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের মূল চাবিকাঠি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *